ব্রেকিং

২০ নভেম্বর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের আশা

Sharmin Sultana Sharmin Sultana ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৭ PM BST ১৮০ বার পঠিত
২০ নভেম্বর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের আশা

collected

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রকল্প সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ।

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের গণমাধ্যম বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন লিখাচেভ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা প্রকল্পটি সম্প্রসারণের আগ্রহ তৈরি করেছে বলে জানান রোসাটমের মহাপরিচালক। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকল্প সম্প্রসারণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।

প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে লিখাচেভ জানান, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে মাসের শেষ নাগাদ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে উৎপাদন শুরুর বিষয়টি প্রত্যাশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; নির্দিষ্ট কোনো চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু করে রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম ইউনিট চালুর প্রক্রিয়ায় এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্তসরকারি চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে রোসাটম। কেন্দ্রটিতে মোট দুটি ইউনিট রয়েছে, যার সম্মিলিত উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন শুরু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

এর আগে লিখাচেভ জানিয়েছিলেন, আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে চালুকরণ কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা করছে রোসাটম। ফলে প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরুর পাশাপাশি দ্বিতীয় ইউনিট চালুর প্রস্তুতিও প্রকল্পটির অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এদিকে রোসাটমের অন্যান্য প্রস্তাবের প্রতিও বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন লিখাচেভ। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য সম্ভাব্য প্রস্তাব সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

লিখাচেভ জানান, অন্যান্য দেশের জন্য রোসাটমের সমন্বিত প্রস্তাবের মধ্যেও এ ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে। তবে বাংলাদেশে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT Youth Soft-Tech International Ltd.
শেয়ার করুন: