collected
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘এ লেপ্রসি-ফ্রি বাংলাদেশ: এভিডেন্স, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ব্লুপ্রিন্ট টু সাকসেস—জয়েন্ট মনিটরিং মিশন অন লেপ্রসি ইন বাংলাদেশ কিক-অফ মিটিং’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে বাংলাদেশ কুষ্ঠের মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে থাকলেও দেশের বৃহৎ জনসংখ্যাই দেশের শক্তি। নানা সীমাবদ্ধতা ও জনসংখ্যার চাপের মধ্যেও চিকিৎসকেরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন উল্লেখ করে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন তিনি।
কুষ্ঠ নির্মূলে সহযোগিতার গুরুত্ব
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন কুষ্ঠ নির্মূলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি কুষ্ঠ নির্মূল কার্যক্রমে এনজিও অংশীদারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতেও এসব অংশীদারের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
২০৩০ সালের লক্ষ্য
সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, ডা. রাজেশ নারওয়াল, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, প্রফেসর ডা. তাকাহিরো নানরী, শেখ মোমেনা মনি, ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদ, ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ এবং ডা. মাহবুব আরেফিন রেজানুর উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডা. আফসানা আলমগীর খান, ডা. আয়া ইয়াজিমা ও ডা. ভিভেক লাল।