সংগৃহীত ছবি
হিন্দি সিনেমার অন্যতম আলোচিত প্রেমের গল্প হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর। ১৯৭০ সালে সিনেমার শুটিংয়ে পরিচয়, এরপর ধীরে ধীরে প্রেম এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৮০ সালে বিয়ে। তবে ধর্মেন্দ্র তখন আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর চার সন্তানও ছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও কেন ধর্মেন্দ্রকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন হেমা মালিনী—সম্পর্কের বহু বছর পর এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে সেই সিদ্ধান্তের কথা খোলামেলা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
আইটিএমবি শোজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, প্রেমে পড়লে মানুষ সবকিছু হিসাব করে দেখে না। তাঁর ভাষায়, কেউ যখন সত্যিই প্রেমে পড়ে, তখন ডানে-বাঁয়ে না তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। ধর্মেন্দ্রর ক্ষেত্রে তাঁর অনুভূতিটাও ছিল অনেকটা তেমনই—প্রথম দেখাতেই ভালো লাগা, পরে সেই অনুভূতি আরও গভীর হওয়া।
ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিও বিভিন্ন সময়ে তুলে ধরেছেন হেমা। ২০২২ সালের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রথম দেখাতেই অভিনেতার চেহারা তাঁর নজর কেড়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই আকর্ষণ রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়।
ধর্মেন্দ্রকে বিয়ের সিদ্ধান্তের পেছনে নিজের চাওয়া-পাওয়ার কথাও স্পষ্ট করেছিলেন হেমা। তিনি জানিয়েছিলেন, ধর্মেন্দ্রর কাছ থেকে সম্পত্তি, টাকা কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাননি। তাঁর চাওয়া ছিল শুধু ভালোবাসা ও সঙ্গ। ধর্মেন্দ্র সব সময় তাঁর পাশে ছিলেন বলেই তাঁর কাছে আর কিছু চাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেননি অভিনেত্রী।
হেমার ভাষ্যে, পরিস্থিতি জটিল হবে জেনেও তিনি ধর্মেন্দ্রকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ তাঁর কাছে সম্পর্কের মূল বিষয় ছিল ভালোবাসা। ধর্মেন্দ্রর আগের সংসার ও চার সন্তান থাকা সত্ত্বেও সেই ভালোবাসাকেই গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি।
হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর সম্পর্ক তাই শুধু বলিউডের একটি তারকা-প্রেমের গল্প নয়, বরং বহু জটিলতার মধ্য দিয়ে পরিণতি পাওয়া এক বহুল আলোচিত সম্পর্ক।