ব্রেকিং

জাতীয় স্বার্থে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Sharmin Sultana Sharmin Sultana ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩১ PM BST ২৪ বার পঠিত
জাতীয় স্বার্থে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

collected

জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা ও আত্মমর্যাদা রক্ষার মাধ্যমে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তারেক রহমান জাতীয় পতাকার মর্যাদা ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু সামরিক সক্ষমতা বাড়ালেই হবে না; সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা এবং জনগণের আস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। এসব গুণের সমন্বয়ে প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে সময়োপযোগী করা এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন জরুরি। সরকার এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় স্বার্থ ও আত্মমর্যাদার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে চায়। তবে এ ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা এবং দেশের মর্যাদা রক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সেনানিবাসে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন।

পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে এ পতাকা প্রদান করা হয়।

জাতীয় পতাকা একটি সামরিক ইউনিটের ঐতিহ্য, পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সম্মান অর্জনের মধ্য দিয়ে ইউনিটগুলোর ওপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জাতীয় মর্যাদা রক্ষা এবং পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকার মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং জনগণের আস্থা অটুট রেখে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT Youth Soft-Tech International Ltd.
শেয়ার করুন: