ছবি: সংগৃহীত
পাবনার সদর উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক দোকানির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁর চায়ের দোকানে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মৃত আলমের ছেলে। তিনি বিদ্যালয়ের সামনে চায়ের দোকান চালাতেন। আর ভুক্তভোগী শিশু ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে শিশুটিকে চায়ের দোকানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে স্থানীয়রা দেখতে পান। তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইফুল ইসলাম সেখান থেকে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ছাড়া তাঁর বাড়িঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে চায়ের দোকানের ভেতরে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন।
ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই চায়ের দোকানে আগুন দিয়েছেন এবং অভিযুক্তের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় উত্তেজনা
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর পাবনা সদরের দোগাছি ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে। ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় মোস্তফা প্রামাণিক ও তাঁর ভাড়াটিয়া ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তের বহুতল ভবনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।