collected
এক প্রশ্নকারী জানতে চান, তাকে একজন বলেছেন—তার সিংহ রাশি এবং রাশিতে গ্রহের সমস্যা রয়েছে। এ কারণে তিনি কোনো কাজ কয়েক মাস বা কয়েক দিন করার পর হঠাৎ সেটি ছেড়ে দেন, কাজ করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন কিংবা কোনো কিছু পরিকল্পনা ও গুছিয়ে নেওয়ার পরও সেটি নিয়ে আর এগোতে ইচ্ছা করেন না। প্রশ্নকারী জানান, ওই ব্যক্তির কথার সঙ্গে নিজের আচরণের কিছুটা মিলও খুঁজে পান। তিনি জানতে চান, এসব কথা কতটা সত্য।
এ বিষয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া মাদরাসার মুফতী ও মুহাদ্দিস শফিকুল ইসলাম বলেন, রাশি জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি নামমাত্র শ্রেণিবিভাগ হতে পারে। তবে রাশি মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে কিংবা রাশি দেখে ভবিষ্যৎ জানা যায়—এমন বিশ্বাস ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, কেউ যদি বিশ্বাস করেন যে নক্ষত্র বা গ্রহ আল্লাহর স্বাধীন ক্ষমতার বাইরে নিজেরাই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, তাহলে বিষয়টি আরও গুরুতর। এ ধরনের বিশ্বাস তাওহিদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মুফতী শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি অমুক রাশির, তাই আমার আজ ভাগ্য এমন হবে’—এ ধরনের বিশ্বাস করা জায়েজ নয়।
অর্থাৎ কোনো ব্যক্তির কাজের প্রতি আগ্রহ, অনাগ্রহ, সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা কোনো কাজ দীর্ঘদিন ধরে করতে না পারার কারণকে শুধু রাশি কিংবা গ্রহের অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে দেখার ইসলামী ভিত্তি নেই। এসব বিষয়ে রাশিফলের ওপর নির্ভর না করে বাস্তব কারণ ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করা উচিত।