collected
দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় আসন্ন রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। তবে বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী।
শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদের পাশাপাশি সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অপচয় রোধ এবং সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা, গুদামভিত্তিক মজুদ এবং সরবরাহ সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে সংরক্ষণ ও বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে সময়ক্ষেপণ, পরিবহন ব্যয় এবং খাদ্য অপচয় কমানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ, আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এসব বিষয়ে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে বাড়তি চাহিদার সময়েও খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সহজ হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি তুলে ধরে আফরোজা খানম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
মন্ত্রী আরও জানান, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। আসন্ন রমজানে যাতে খাদ্য সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য মজুদ ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রমে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।