ছবি: সংগৃহীত
মণি রত্নমের ‘আলাইপায়ুথে’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় অভিনেতা আর মাধবনের। ক্যারিয়ারের শুরুর সেই সময়ে সিনেমার স্বার্থে স্ত্রী সরিতার পরিচয় গোপন রাখার পরামর্শ পেয়েছিলেন তিনি। তবে বক্স অফিসের সাফল্যের জন্য নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আড়াল করতে রাজি হননি এই অভিনেতা।
তৎকালীন চলচ্চিত্রশিল্পের একাংশের ধারণা ছিল, বিবাহিত অভিনেতাকে রোমান্টিক নায়ক হিসেবে দর্শক ও ইন্ডাস্ট্রি সহজে গ্রহণ করতে চায় না। সেই কারণে মাধবনকে স্ত্রীর অস্তিত্ব গোপন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি পরিচালক মণি রত্নমের সঙ্গে কথা বলেন মাধবন। তবে পরিচালক তাঁকে বিয়ের কথা লুকিয়ে রাখার কোনো চাপ দেননি।
এরপর সিনেমার বিভিন্ন প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে নিজের বিয়ের কথা প্রকাশ্যেই তুলে ধরেন মাধবন। ক্যারিয়ারের শুরুর কঠিন সময়ে স্ত্রী সরিতা তাঁর পাশে ছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফলে অভিনয়জীবনে ব্যর্থতা মেনে নেওয়া সম্ভব হলেও স্ত্রীর পরিচয় গোপন করে তাঁকে অসম্মান করা মাধবনের পক্ষে সম্ভব ছিল না।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি সততা বজায় রেখেই অভিনয় ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মাধবন। তাঁর মতে, ক্যারিয়ারের সাফল্যের জন্য দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গীকে আড়াল করার চেয়ে নিজের অবস্থানে সৎ থাকাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।