collected
চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডংফাং স্কলারশিপ কর্মসূচি সম্পন্ন করে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হয়ে ঢাকায় ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। উদীয়মান রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের ডংফাং স্কলারশিপে বিশ্বের ৫৪টি দেশের ৫৪ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচনে ডা. আউয়াল সর্বোচ্চ ১৯ ভোট পেয়ে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকুয়েডরের ভাইস প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা লোরেনা পন্সে পান ১৭ ভোট।
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় QS World University Rankings 2027-এ বিশ্বে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং চীনের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডা. আউয়াল তার অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা একটি করে সার্টিফিকেট পেলেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি দুটি সার্টিফিকেট পেয়েছেন।
ডা. আউয়াল জানান, ডংফাং স্কলারশিপ কর্মসূচিটি উদীয়মান রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে আয়োজন করা হয় এবং পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৮ সাল থেকে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার এই বক্তব্যের বিষয়টি সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছে।
নিজের স্কলারশিপ অর্জন প্রসঙ্গে ডা. আউয়াল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া তাকে পড়াশোনার বিষয়ে উৎসাহ দিতেন। সেই কারণে তিনি তার অর্জনটি খালেদা জিয়াকে উৎসর্গ করতে চান বলে জানান।
এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
ডা. আউয়ালের দেশে ফেরার সময় তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
ডংফাং স্কলারশিপের এবারের কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডা. আউয়াল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেয়েছেন। ৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ ভোটে তার নির্বাচিত হওয়ার তথ্যটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।