ছবি: সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। রোববার বেলা ১১টা থেকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন।
দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে সকাল থেকেই ঢাকায় জড়ো হতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। সকাল ১০টার দিকে তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে একত্রিত হন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে যান। এরপর সেখানে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
এদিকে আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। বেলা দেড়টার দিকে প্রতিনিধিদলটি সচিবালয়ে যায়। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
রাজশাহীতে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র পেলেন ২২ জন
অন্যদিকে রাজশাহী জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এ দফায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২২ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় এসব নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন করে ২২ জন প্রার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এসব প্রার্থীকে জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেতনস্কেলের (গ্রেড-১৩) আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা নির্ধারিত শর্তগুলো প্রযোজ্য হবে।
বিভিন্ন জেলায় নিয়োগপত্র না পাওয়ায় উদ্বেগ
২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি। এতে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় দুই হাজারের বেশি প্রার্থী বাদ পড়েছেন। নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা দ্রুত তাঁদের নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন।