collected
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভবিষ্যতে যেন কোনোভাবে আবারও দখল না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। সোমবার বিকেলে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, লাঠিসোঁটা দিয়ে জোর করে দখলের পাশাপাশি কাগজপত্র কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘কলমের খোঁচায়’ যেন প্রতিষ্ঠানটি দখল না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। দখলদারদের সাইনবোর্ড সরিয়ে দেওয়ার পর সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তৎপরতা দেখা গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সেখানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং একজন সংসদ সদস্য ও একজন প্রতিমন্ত্রীও পরিদর্শনে গেছেন। তবে এসব কারণে এখনই তাদের প্রশংসা করার মতো কিছু হয়নি। রাড্ডা ক্লিনিকের মতো দেশের আরও অনেক জায়গা দখল হয়ে আছে দাবি করে তিনি বলেন, সেসব জায়গা দখলমুক্ত করে সংশ্লিষ্টদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলে এনসিপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানানো হবে।
রাড্ডা ক্লিনিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও অবস্থান জানান এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, সরকার সেখানে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করলেও পুরো ভবনটি রাড্ডা ক্লিনিকের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। ভবনের কিছু অংশ ক্লিনিকের জন্য রেখে বাকি অংশ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া যাবে না।
রাড্ডা ক্লিনিকের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, স্থাপনা মেরামতের পাশাপাশি চুরি হওয়া মালামাল ও টিকারও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। দেশের অন্যত্র দখলের শিকার ব্যক্তিদের প্রতিবাদে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও দখলের ঘটনা ঘটলে এনসিপি ভুক্তভোগীদের পাশে থাকবে।
এ সময় দখলের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া একজনের সঙ্গে একজন সংসদ সদস্যের একাধিক কর্মসূচির ছবি থাকার দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। ওই সংসদ সদস্যের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তির সম্পর্ক কী, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সাংগঠনিক, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।