collected
শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার উদ্যোগ নেওয়ায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইসলামী বইমেলায় ‘শাপলা কর্নার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বসে প্রথমবারের মতো ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সম্মাননা দিয়েছেন। এ উদ্যোগের জন্য তিনি আসিফ মাহমুদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগকে জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন মামুনুল হক। তার বক্তব্য অনুযায়ী, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেমন ভাষা আন্দোলনের ভিত থেকে এসেছে, তেমনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণার সঙ্গে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগের সম্পর্ক রয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মতো শাপলা চত্বরের শহীদদেরও পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি সংসদ ও রাজপথে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মামুনুল হক আরও জানান, শাপলা স্মৃতি সংসদ দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শহীদদের একটি প্রামাণ্য তালিকা তৈরি করেছে এবং ‘শহীদনামা’ নামে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করেছে। তার দাবি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা হত্যাকাণ্ডের মামলা এবং শহীদদের পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে তালিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অনুষ্ঠানে শাপলা স্মৃতি সংসদের সদস্যসচিব মাওলানা কামালউদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যদেরও ধন্যবাদ জানান মামুনুল হক। পাশাপাশি মেলায় ‘শাপলা কর্নার’-এর জন্য স্টল বরাদ্দ দেওয়ায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মেলা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
শাপলা চত্বরের বিষয়টি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তুলে ধরতে দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির।