collected
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সকাল ৯টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন।
গত ৭ অক্টোবর বুধবার ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
তুরস্কে পৌঁছে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এ সময় স্পিকারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপিসহ অন্যরা।
এরপর ৯ অক্টোবর ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া, ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠন এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনের প্রতিপাদ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশবিষয়ক গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এ ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্কের ঐতিহাসিক দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ের বা কেবল কয়েক দশকের নয়; তুরস্কের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তুরস্কে সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে ডা. শফিকুর রহমান সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন। এরপর রোববার সকালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।