Photo Collected
কলকাতার জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দাদের পানি সরবরাহ বন্ধ ও উচ্ছেদের নোটিশ ঘিরে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এ ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য সমীরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চিঠি প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, রাজনৈতিক প্রতিশোধ ও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কলোনির বাসিন্দাদের দুর্ভোগে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২৮ জুলাই রাতে কলোনির মূল পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর পরদিন থেকেই এলাকার পাঁচটি পানির কল দিয়ে পানি পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ফিরলেও আড়াই মাস ধরে পানির সংকট অব্যাহত রয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
জ্যোতিনগর কলোনির বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের আবাসস্থল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্ট ট্রাস্টের মালিকানাধীন জমিতে অবস্থিত। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই জমি থেকে দখলদার উচ্ছেদের নির্দেশ জারির পর বিষয়টি আদালতে গড়ায়। কলকাতা হাইকোর্ট উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাসিন্দাদের আইনজীবীদের দাবি, উচ্ছেদের আগে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
অন্যদিকে, বন্দর কর্তৃপক্ষ জমিটি দখলে থাকার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও নিরাপত্তাঝুঁকির কথা আদালতে তুলে ধরেছে। পানি সরবরাহ পুনরুদ্ধারের আবেদনও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ অবস্থায় পানির সংকট নিরসন, বাসিন্দাদের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং উচ্ছেদসংক্রান্ত বিরোধের সমাধান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।