পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড

Pinky Saha Pinky Saha ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ AM BST ৩২ বার পঠিত
পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড

Photo Collected

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর এখনো অব্যাহত রয়েছে ভূকম্পন। শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের পর দেশটিতে ৭৪৬টি আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভূবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত পরাঘাত অব্যাহত থাকতে পারে।

পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটারেরও কম গভীরে। ভূমিকম্পের ফলে নির্গত বিপুল শক্তির কারণে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশ এখনো নিজেদের অবস্থান পুনর্বিন্যাস করছে। তবে পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, সময়ের সঙ্গে আফটারশকের মাত্রা ধীরে ধীরে কমছে।

ভূমিকম্পের প্রভাবে উপকূলীয় ভূমির উচ্চতায়ও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন ভূতত্ত্ববিদেরা। ভূগর্ভস্থ চ্যুতির নড়াচড়ার কারণে কোনো কোনো এলাকা উঁচু হয়ে যেতে পারে, আবার কোথাও ভূমি নিচে নেমে যেতে পারে। এতে উপকূলের স্বাভাবিক আকৃতি ও পরিবেশেও পরিবর্তন আসার আশঙ্কা রয়েছে।

ভূমিকম্পের পর পানামার কয়েকটি এলাকায় পানির রং ধূসর হয়ে যাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। গবেষকদের ধারণা, ভূমিকম্পের প্রভাবে ভূগর্ভস্থ পানি এমন কিছু খনিজ পদার্থের সংস্পর্শে আসায় এ পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পানির রাসায়নিক পরীক্ষা প্রয়োজন।

দক্ষিণাঞ্চলীয় লস সান্তোস প্রদেশের ইসলা কানাস দ্বীপের বাসিন্দারা ভূমিকম্পের পর দ্বীপটি যেন দুই ভাগ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। ভূতত্ত্ববিদেরা সেখানে সম্ভাব্য ফাটল ও চ্যুতির নড়াচড়া পরীক্ষা করে দেখবেন।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশটির ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ভূকম্পন পর্যবেক্ষণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, পর্যবেক্ষণব্যবস্থা জোরদারে প্রায় ১৫০টি যন্ত্র এবং দেশজুড়ে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় ৭০০টি সেন্সর প্রয়োজন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT Youth Soft-Tech International Ltd.
শেয়ার করুন: