collected
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজবাড়ীর কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিতুমীর বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন গ্যাসকূপ খনন, সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) সক্ষমতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে পানি সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না দেখে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশ নিতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ হিসেবে অতীত সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিকে দায়ী করেন তিতুমীর। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি সংকটকে আরও তীব্র করেছে। সরকার অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন তুলনামূলক সহজ ও কম ব্যয়বহুল উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এ কারণে নতুন গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিতুমীর বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কাজে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে কাজে লাগানো হবে। অতীতের সরকার স্বজনপ্রীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।