ব্রেকিং

হামাস হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘিরে ৩৭ দেশে ২৬২ ফিলিস্তিনপন্থি কর্মসূচি

Sumon Biswas Sumon Biswas ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৫ PM BST ৪৭ বার পঠিত
হামাস হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘিরে ৩৭ দেশে ২৬২ ফিলিস্তিনপন্থি কর্মসূচি

Internet

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘিরে বিশ্বের ৩৭ দেশে ২৬২টি ফিলিস্তিনপন্থি ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি কর্মসূচিকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘিরে বিশ্বের ৩৭ দেশে ২৬২টি ফিলিস্তিনপন্থি ও ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ ও কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রবাসীবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব কর্মসূচির মধ্যে ১২১টি আগামী ১০ ও ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ইহুদিবিদ্বেষবিরোধী কেন্দ্র জে-এসওসির তথ্যের বরাতে এ হিসাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোবর বিভিন্ন দেশে ৭৫টি বিক্ষোভ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে কর্মসূচিগুলো চলবে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, গত তিন বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলবিরোধী ও ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভ হয়ে আসছে। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষী ঘটনার সংখ্যাও বেড়েছে। এসব কর্মসূচির কারণে ইসরায়েলি ও ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ

পরিকল্পিত কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভের তথ্য পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রে—৪৫টি। এরপর স্পেনে ৪০টি, অস্ট্রেলিয়ায় ২১টি, যুক্তরাজ্যে ১৯টি এবং ইতালিতে ১৬টি কর্মসূচি রয়েছে।

এ ছাড়া জার্মানি ও কানাডায় ১৪টি করে, ফ্রান্সে ১০টি এবং নেদারল্যান্ডসে আটটি বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৬২টি কর্মসূচির মধ্যে ২১টিকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এবং ৬৬টিকে মাঝারি ঝুঁকির হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কূটনৈতিক স্থাপনার কাছেও বিক্ষোভ

প্রায় ৪৫টি বিক্ষোভ ইসরায়েলি দূতাবাস, কনস্যুলেট অথবা দেশটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাছে হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি কর্মসূচিকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল, কলম্বিয়ার বোগোতা, মেক্সিকো সিটি এবং থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ইসরায়েলি কূটনৈতিক স্থাপনার বাইরে উচ্চঝুঁকির বিক্ষোভ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের ড্যাম স্কয়ার, ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কির রাউতিয়েনতোরি এবং কানাডার অটোয়ার পার্লামেন্ট হিলেও উচ্চঝুঁকির বিক্ষোভের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্থান ইসরায়েলি কূটনৈতিক স্থাপনার কাছাকাছি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মিলান, রোম, প্যারিস, লন্ডন ও বার্লিনেও বড় আকারের বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কানাডায় বেশি উচ্চঝুঁকির কর্মসূচি

পরিকল্পিত উচ্চঝুঁকির বিক্ষোভের সংখ্যা কানাডায় সবচেয়ে বেশি। মন্ট্রিয়ল, টরন্টো ও অটোয়ায় চারটি এমন কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও গ্রিসে দুটি করে উচ্চঝুঁকির বিক্ষোভের তথ্য পাওয়া গেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা, উরুগুয়ে, মালয়েশিয়া, ইকুয়েডর, দক্ষিণ কোরিয়া ও নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের শহরেও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মসূচি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে বিদেশে থাকা ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রবাসীবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT Youth Soft-Tech International Ltd.
শেয়ার করুন: