Photo Collected
কাউন্টি ক্রিকেটে আলো ছড়ানো দুই বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের দল কেন্ট পেয়েছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টুতে দ্বিতীয় হয়ে এক বছর পর আবারও শীর্ষ স্তর ডিভিশন ওয়ানে জায়গা করে নিয়েছে দলটি।
ডিভিশন টুর পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত হওয়ায় পরের মৌসুমে ডিভিশন ওয়ানে খেলবে কেন্ট। দলটির এই সাফল্যের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার। হাসান চার ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট, আর খালেদ তিন ম্যাচে শিকার করেছেন ১৬ উইকেট।
ইংল্যান্ডের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে খেলা হয়। আট দলের ডিভিশন টু থেকে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল পরের মৌসুমে ১০ দলের ডিভিশন ওয়ানে জায়গা করে নেয়। বিপরীতে ডিভিশন ওয়ানের নিচের দুটি দল নেমে যায় ডিভিশন টুতে।
চলতি মৌসুমে ডিভিশন টুতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডারহাম। দ্বিতীয় হয়েছে কেন্ট। মৌসুমের শেষ ম্যাচে গ্লস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে কেন্ট। তবে ম্যাচটি শেষ হওয়ার আগেই মিডলসেক্সের কাছে নর্দাম্পটনশায়ার হেরে যাওয়ায় কেন্টের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত হয়ে যায়।
১৪ ম্যাচ শেষে কেন্টের পয়েন্ট ১৯৮। অন্যদিকে নর্দাম্পটনশায়ারের পয়েন্ট ১৯১।
গত মৌসুমে অবশ্য ডিভিশন টুয়ের তলানিতে থেকে শেষ করেছিল কেন্ট। সেবার তাদের ওপরে থাকা নর্দাম্পটনশায়ারের সঙ্গে ব্যবধান ছিল ২৯ পয়েন্টের। এক মৌসুমের ব্যবধানে সেই দলই এবার শীর্ষ স্তরে ফেরার কৃতিত্ব দেখাল।
কেন্টের এই ঘুরে দাঁড়ানোর পথে মৌসুমের শেষ দিকে বড় অবদান রেখেছেন হাসান ও খালেদ। বিসিবির ডাকে দেশে ফেরার আগে হাসান কেন্টের হয়ে চার ম্যাচ খেলেই নিয়েছেন ২৬ উইকেট।
মৌসুমের শেষ দিকে কেন্টে যোগ দেওয়া খালেদও বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে ৮ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। ওই জয় কেন্টকে প্রমোশনের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।
মৌসুমের শেষ ম্যাচেও নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন খালেদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে নেন ৫ উইকেট। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুই পেসারের কার্যকর বোলিংয়ের সময়েই এক বছর পর কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষ স্তরে ফেরার টিকিট নিশ্চিত করল কেন্ট।