নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে ‘নোংরা ভাষা’ ব্যবহারের জন্য দুঃখ প্রকাশ রাশেদ খাঁনের

Sharmin Sultana Sharmin Sultana ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫০ PM BST ১৩ বার পঠিত
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে ‘নোংরা ভাষা’ ব্যবহারের জন্য দুঃখ প্রকাশ রাশেদ খাঁনের

collected

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে টকশোতে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলা ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নিজেকে সংশোধন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT রবি আজিয়াটা লিমিটেড

পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অতীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর পরিবারের সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদসহ বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে তীর্যক ও অশ্রাব্য ভাষায় মন্তব্য করেছেন। এর প্রেক্ষাপটে কয়েক মাস আগে তিনি একটি টকশোতে উদাহরণ দিতে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবেও তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। তার দাবি, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাকে নিয়েও অশ্রাব্য ভাষায় বিভিন্ন মন্তব্য করেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে এ বিষয়ে আর পরস্পরের বিরুদ্ধে কথা না বলার বিষয়ে যোগাযোগ হলেও কয়েক ঘণ্টা পর সেই সমঝোতা ভঙ্গ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

তবে এসব ঘটনার পরও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো ‘নোংরা ভাষার’ জবাব একই ধরনের ভাষায় দেওয়া তার ঠিক হয়নি বলে মনে করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, তার ওই প্রতিক্রিয়া ‘টিট ফর ট্যাট’-এর মতো হলেও ২০২৪-পরবর্তী রাজনীতিতে দেশ গঠন, মানবিক মর্যাদা ও বৃহত্তর কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

নিজের ভাষাগত ভুলের জন্য তা প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে নিজেকে সংশোধনের প্রত্যয় জানান তিনি। পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সহনশীল ও পরিশীলিত রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে সবার ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি সহনশীলতা ও ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকার চেষ্টা করেছেন। ভবিষ্যতেও এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ঘৃণা ছড়িয়ে কেউ লাভবান হবে না। বরং এতে বিরাজনীতিকরণের সুযোগ খুঁজছে এমন গোষ্ঠীই লাভবান হতে পারে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ
শেয়ার করুন: