collected
পাবনা ও কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল পাবনা সদর উপজেলার চর তারাপুর ইউনিয়নে জমিতে জমে থাকা পানিতে ডুবে ভাইবোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়। একই দিন কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ হারায় আরও দুই শিশু।
পৃথক এসব ঘটনায় দুই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাবনায় তিন শিশুর মৃত্যু
পাবনা সদর উপজেলার চর তারাপুর ইউনিয়নের নবীন বাজার দাশপাড়া গ্রামে জমে থাকা বর্ষার পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো—শিমুল মল্লিকের মেয়ে সুমি খাতুন (৭), মো. আশরাফুল ইসলামের ছেলে খালিদ হোসেন (৮) ও মেয়ে আফিয়া খাতুন (৬)। তারা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির পাশের জমিতে জমে থাকা বর্ষার পানিতে গোসল করতে নামে শিশুরা। একপর্যায়ে একজন পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে অপর দুজন। এ সময় তারাও পানিতে ডুবে যায়।
পরে স্থানীয়রা তিন শিশুকে পানি থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।
টেকনাফে নাফ নদীতে প্রাণ গেল দুই শিশুর
অন্যদিকে কক্সবাজারের টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটসংলগ্ন নাফ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলো সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী মাহমুদুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ নিশান (১২) এবং কেফায়েত উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ আরজিন (১৫)।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটসংলগ্ন নাফ নদীতে গোসল করার সময় দুই শিশু পানিতে ডুবে যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্থানীয়রা নদীর চর থেকে তাদের উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নুসরাত জাহান জানান, নাফ নদী থেকে উদ্ধার করে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হলেও হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।