ছবি: সংগৃহীত
ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বকেয়া ও দীর্ঘদিন বিদেশি খেলোয়াড় না থাকায় ঘরোয়া ক্রিকেটের হারানো জৌলুস ফেরাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ও ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) তিন মৌসুমের বিরতি ভেঙে আবারও ডিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটার ফেরানোর পরিকল্পনা করছে। চলতি বছর বিপিএল না হওয়ায় ডিপিএলের পরবর্তী আসর এগিয়ে এনে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
একসময় ডিপিএলের একাদশে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর সুযোগ ছিল। পরে সেই সংখ্যা কমিয়ে দুই এবং একজনে নামিয়ে আনা হয়। ২০২৪ সালে বিদেশি ক্রিকেটারের কোটা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবার দেশের ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতামূলক মান ও খেলার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিটি দলের একাদশে অন্তত একজন বিদেশি ক্রিকেটার রাখার প্রাথমিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি চূড়ান্ত করতে চলতি সপ্তাহে ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বিসিবি।
ডিপিএলের আম্পায়ারিং ব্যবস্থাতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আম্পায়ারদের পয়েন্ট দেওয়া হবে এবং ভুল সিদ্ধান্তের জন্য পয়েন্ট কেটে নেওয়া হবে। নির্ধারিত মানদণ্ডের নিচে স্কোর নেমে গেলে কোনো আম্পায়ারকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখার ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।
মাঠের সিদ্ধান্তে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি এডিআরএস, ড্রোন নজরদারি এবং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে অ্যান্টি-করাপশন কার্যক্রম সক্রিয় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্ভাব্য ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে প্রথম বিভাগ এবং ডিসেম্বরে দ্বিতীয় বিভাগের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে পারে ডিপিএল। এছাড়া ক্রিকেটারদের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অভ্যস্ত করতে ওয়ানডে লিগের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো প্রতিটি বিভাগে আলাদা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সিসিডিএম।