collected
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্বলতা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে একক কোনো কারণ দায়ী নয়। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ ধরনের সমস্যা তৈরি করে।
তিনি বলেন, দুর্বল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যথাযথ ব্যয় প্রাক্কলন না করা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল মনিটরিং এবং জবাবদিহির ঘাটতিও প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ।
প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদের কার্যক্রম চলছে বলেও সংসদকে জানান তিনি।
এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) মডেলে প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও জবাবদিহিমূলক করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল-২০২৫ হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের এসব উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময় ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।