সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন চলছে আশির দশকের নস্টালজিয়ায় ফেরার নতুন ট্রেন্ড। ফেসবুকের টাইমলাইনজুড়ে দেখা যাচ্ছে আশির দশকের হলিউড-বলিউডের ক্লাসিক পোস্টার ও ভিন্টেজ ফটোশুটের আদলে তৈরি নানা ছবি। ওভারসাইজড ব্লেজার, পোলকা ডট পোশাক, চওড়া কলারের শার্ট ও রেট্রো হেয়ারস্টাইলে নিজেদের নতুনভাবে উপস্থাপন করছেন নেটিজেনরা।
এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বর্তমান ছবিকে আশির দশকের আবহে রূপান্তর করে অনেকে নিজেদের সেই সময়ের ফ্রেমে কেমন দেখাতেন, তা নিয়ে মেতে উঠেছেন। এই ট্রেন্ড থেকে বাদ পড়েননি দেশের বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও। পূর্ণিমা, তমা মির্জা, সাফা কবির, তাসনিয়া ফারিণ, বিদ্যা সিনহা মিম, তৌসিফ মাহবুব, আরশ খান, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তানজিকা আমিন, মাসুমা রহমান নাবিলাসহ অনেকেই রেট্রো লুকে ছবি প্রকাশ করেছেন।
চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা নিজের একটি রেট্রো লুকের ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘নতুন ট্রেন্ড’। তমা মির্জাও ভিন্টেজ সাজে ছবি শেয়ার করে জানিয়েছেন, তিনি ট্রেন্ডটি অনুসরণ করছেন। অভিনেত্রী তানজিকা আমিন তাঁর ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘গা ভাসাইলাম।’
মাসুমা রহমান নাবিলা আশির দশকের স্মৃতিময় আবহকে তুলে ধরে লিখেছেন, ‘কালজয়ী গান আর পুরোনো দিনের স্টাইলের সেই সোনালী যুগে ফিরে যাওয়া!’ বিদ্যা সিনহা মিম তাঁর ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আশির দশকের লুক।’
ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাফা কবিরও এই ট্রেন্ডে অংশ নিয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত ছবিতে আশির দশকের সাজে দেখা গেছে তাঁকে। সাফা লিখেছেন, আশির দশকের এই উন্মাদনা পুরো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে এবং চরকি বিষয়টিকে দারুণভাবে উপস্থাপন করেছে। একইভাবে তাসনিয়া ফারিণও নিজের রেট্রো লুক প্রকাশ করে নস্টালজিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবও আশির দশকের আবহে তৈরি একটি ফ্রেম প্রকাশ করেছেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।’
সংগীতশিল্পী পড়শীও এআইয়ের রেট্রো রূপান্তরের মাধ্যমে নিজেকে চার দশক আগের এক ফ্রেমে কল্পনা করেছেন। নিজের ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।’
সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশির দশকের এই রেট্রো ট্রেন্ড তারকা ও সাধারণ নেটিজেন—দুই পক্ষের মধ্যেই বেশ আগ্রহ তৈরি করেছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমান সময়ের ছবি যখন পুরোনো দিনের পোশাক, সাজসজ্জা ও নান্দনিকতার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, তখন তা অনেকের জন্য হয়ে উঠছে ডিজিটাল নস্টালজিয়ার নতুন এক অভিজ্ঞতা।