Photo Collected
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনপন্থীরা। স্থানীয় সময় শনিবার (১০ অক্টোবর) আয়োজিত এই সমাবেশ ও পদযাত্রা থেকে ইসরায়েলের ওপর পূর্ণাঙ্গ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপের দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দখলদারত্বের নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন প্লেকার্ড প্রদর্শন করেন। কিছু প্লেকার্ডে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধসংক্রান্ত ব্যয়ের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। সেখানে সামরিক ব্যয়ের সঙ্গে দেশটির অভ্যন্তরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও কম মজুরির সম্পর্ক দেখানো হয়।
‘প্যালেস্টাইনিয়ান ইয়ুথ মুভমেন্ট’সহ বিভিন্ন ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন এই সমাবেশ ও পদযাত্রার আয়োজন করে। আয়োজকদের দাবি, ইসরায়েলকে সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং দেশটির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
সংগঠনটির সদস্য নুহাত আক্কার আনাদোলুকে বলেন, বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে তাঁরা স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেবেন না। গণহত্যা বন্ধের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ মুক্তি ও নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান।
নুহাত আক্কার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভার্জিনিয়ার রাষ্ট্রীয় অবসরকালীন তহবিলের এসব কোম্পানিতে থাকা ৩৯৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁর সংগঠন প্রচার চালাচ্ছে।
আক্কার বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উচিত এসব কোম্পানিতে অর্থ বিনিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং গাজায় ইসরায়েলি অভিযান ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দখলদারত্বের অবসানে চাপ বাড়ানো।