পশ্চিমবঙ্গে ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস

Pinky Saha Pinky Saha ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫ AM BST ৩৭ বার পঠিত
পশ্চিমবঙ্গে ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস

ছবি: সংগৃহীত

‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার চালিয়ে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়।

জব্দ করা ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ৩১ কোটি রুপি। রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)সহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছিল।

‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায় বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এ ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়। সেগুলোর আনুমানিক মূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। বালুরঘাটের পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনের সড়কে বুলডোজার চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছিল।

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

বুধবারের কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে মাদকমুক্ত করা তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

মাদকাসক্তির কারণে পরিবার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মাদকজাতীয় পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হবে না।

ফেনসিডিল উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে একই দিনে বাঁকুড়ায় পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের যৌথ অভিযানে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মদ ও মাদকজাতীয় পণ্যও প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়েছে।

৩৩ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ

মাদকবিরোধী কর্মসূচির পাশাপাশি বুধবার কলকাতার সল্টলেকের মিলনমেলা প্রাঙ্গণে পৃথক একটি অনুষ্ঠানও হয়। সেখানে ৩৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে শিল্প স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে জমি বরাদ্দের চিঠি তুলে দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৬২ হাজার কর্মসংস্থান হতে পারে।

প্রকল্পগুলো আগামী তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার চালিয়ে এসব মাদক ধ্বংস করা হয়।

জব্দ করা ফেনসিডিলের আনুমানিক মূল্য ৩১ কোটি রুপি। রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)সহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছিল।

‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায় বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এ ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়। সেগুলোর আনুমানিক মূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। বালুরঘাটের পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনের সড়কে বুলডোজার চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছিল।

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

বুধবারের কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে মাদকমুক্ত করা তাঁর সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

মাদকাসক্তির কারণে পরিবার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মাদকজাতীয় পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হবে না।

ফেনসিডিল উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে একই দিনে বাঁকুড়ায় পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের যৌথ অভিযানে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মদ ও মাদকজাতীয় পণ্যও প্রকাশ্যে ধ্বংস করা হয়েছে।

৩৩ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ

মাদকবিরোধী কর্মসূচির পাশাপাশি বুধবার কলকাতার সল্টলেকের মিলনমেলা প্রাঙ্গণে পৃথক একটি অনুষ্ঠানও হয়। সেখানে ৩৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে শিল্প স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে জমি বরাদ্দের চিঠি তুলে দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৬২ হাজার কর্মসংস্থান হতে পারে।

প্রকল্পগুলো আগামী তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন / ADVERTISEMENT Youth Soft-Tech International Ltd.
শেয়ার করুন: